1. admin@dailyguptochor24.com : admindgc :
  2. sajibmiahmsm123@gmail.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ০১:৫১ অপরাহ্ন
Title :
নরসিংদী সদর থানায় ভাইরাল ওসি মোজাফ্ফর: পোস্টিং হলেও দায়িত্বে বসা নিয়ে রহস্য! নরসিংদী জেলা বিএনপির ইফতার মাহফিল ঘিরে বিতর্ক: দাওয়াত কার্ড নিয়ে সমালোচনার ঝড়!! নরসিংদী সদরে সঙ্গিতা বাজারে মোবাইল কোর্টের অভিযান: তিন ফার্মেসিকে অর্থদণ্ড নরসিংদী সদর শীলমান্দীতে নতুন প্রত্যাশা: বোরহান উদ্দিনকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী। নরসিংদী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও হিসাব রক্ষকের পেটে ১২ কোটি ৪৫ লাখ টাকা! রমজান সামনে রেখে নরসিংদীতে বাজার মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট, জরিমানা ৪ হাজার টাকা। নরসিংদীর দুঃসময়ের বিশ্বস্ত যেই তিন নেতাকে সুসময়ে বলি দিল বিএনপি! একুশে বইমেলায় আসছে সাংবাদিক মোস্তফা খানের উপন্যাস ‘একটি কলমের দাম’ পরিবহন খাতে নরসিংদীর সাফল্য: কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে সারোয়ার মৃধা। রায়পুরার চরাঞ্চলে যৌথ বাহিনীর অভিযান: আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারসহ সন্ত্রাসী গ্রেফতার*

প্রধানমন্ত্রী,মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রীও সচিবের স্বাক্ষর জাল করে রায়পুরায় তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা!!

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৪

গুপ্তচর ডেস্ক:
মুক্তিযোদ্ধারা নিঃসন্দেহে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান।তাদের ত্যাগ ও অবদানে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে।কিন্তু স্বাধীনতার 50 বছর অতিবাহিত হলেও আজও বাংলাদেশে বিভিন্ন সময় পাওয়া যায় ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা।জাতি হিসেবে সেটা আমাদের জন্য অত্যন্ত লজ্জার ও কলঙ্কের।এমনই এক বিতর্কিত মুক্তিযোদ্ধার সন্ধান মিলেছে রায়পুরা উপজেলার উত্তর মির্জানগর গ্রামে।

বিতর্কিত ওই মুক্তিযোদ্ধার নাম মোঃ মফিজ উদ্দিন,বাবার নাম মৃত সিরাজ উদ্দিন।তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা,মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক. ম .মোজাম্মেল হক ও মুক্তিযোদ্ধা সচিব হারিস মিয়ার স্বাক্ষর জাল করে রায়পুরায় বীর মুক্তিযোদ্ধা হয়েছেন।প্রায় তিন বছরের মতো নিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা ভাতা।তার মুক্তিযোদ্ধা ভোটার নম্বর ছিল-৬৫৮,গেজেট নাম্বার ছিল-৩৫৯৬। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধা চূড়ান্ত বাছাই পর্ব থেকে তিনি বাদ পড়েছেন।বন্ধ হয়েছে তার মুক্তিযোদ্ধা ভাতা।আবারো সেই ভাতা চালু করতে পাঁয়তারা করছেন সেই মুক্তিযোদ্ধা।ভাতা চালু করতে মুক্তিযোদ্ধা সচিব হারিস মিয়ার এক আত্মীয়  কাবিলের শরণাপন্ন হন মুক্তিযোদ্ধার ছেলে বশির আহমেদ।বশির আহমেদ নরসিংদী ডিসি অফিসের সাধারণ শাখায় কর্মরত।

এ বিষয়ে কাবিল জানায়,আমি যখন তার বাবার বিষয়ে উপরে তদবির করতে যাই,তখন জানতে পারি তিনি প্রধানমন্ত্রী,মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী,ও সচিবের স্বাক্ষর জাল করেছেন।সচিব আমার আত্মীয় হয় বিধায় আমি ওখান থেকে বেঁচে আসছি।একথা আমি আগে জানলে কখনো তদবির করতে যাইতাম না।

এ বিষয়ে মোবাইলে কথা হয় মির্জানগর ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রেজাউল করিমের সাথে।তিনি জানান,মফিজ উদ্দিন ২০১৪ সালের দিকে মুক্তিযোদ্ধা তালিকা ভুক্ত হন।কিন্তু চূড়ান্ত বাছাই শুরু হলে তার কাগজপত্র সঠিক না থাকার কারণে তিনি বাদ পড়ে যান।প্রায় তিন বছরের মত তিনি ভাতা নিয়েছেন।সরকার চাইলে সেই ভাতা তিনি ফেরত দিতে বাধ্য।স্বাক্ষর জাল করার কারণে তার শাস্তি হবে।

কার সহযোগিতায় জাল জালিয়াতির এই দুঃসাহসিক কাজ করেছেন মফিজ উদ্দিন সেই বিষয়ে চলছে অনুসন্ধান।চোখ রাখুন আমাদের আগামী পর্বে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2023 Daily Guptochor 24.com
Web Design By Khan IT Host