
নিজস্ব প্রতিবেদক :
নরসিংদী সদর উপজেলার শীলমান্দী ইউনিয়নের শেখেরচর গ্রাম—রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে সমৃদ্ধ একটি জনপদ। এই গ্রামেরই কৃতী সন্তান ছিলেন পাকিস্তান আমলের জনপ্রিয় মেম্বার সুন্দর আলী। জনসেবায় তার সততা ও নিষ্ঠা আজও স্থানীয়দের মুখে মুখে উচ্চারিত হয়। তারই সুযোগ্য সন্তান, মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হান্নান ছিলেন নরসিংদীর রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তিনি একাধারে নরসিংদী সদর যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, সদর বিএনপির সভাপতি, শেখেরচর বাজার বণিক সমিতির সভাপতি এবং সর্বশেষ শীলমান্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এই রাজনৈতিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় পরিবারের আরেক সন্তান মোঃ বোরহান উদ্দিনও হাঁটছেন জনসেবার পথেই। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি ছিলেন সক্রিয় ও পরিচিত মুখ। ১৯৮৬ সালে স্কুল জীবন থেকেই ছাত্র রাজনীতির সাথে সক্রিয় হন। পরবর্তীতে নরসিংদী সরকারি কলেজ-এর ছাত্রনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ধাপে ধাপে তিনি তৃণমূল রাজনীতিতে নিজের অবস্থান সুদৃঢ় করেন।
১৯৯৩ সালে শীলমান্দী ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন বোরহান উদ্দিন। ২০০১ সালেও একই পদে পুনরায় নির্বাচিত হয়ে তিনি দলীয় আস্থা অর্জন করেন। ২০১৪ সালে নরসিংদী সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ২০২০ সালে ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব এবং ২০২৫ সালে শীলমান্দী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন। বর্তমানে তিনি শেখেরচর বাজার বণিক সমিতির সভাপতির দায়িত্বও পালন করছেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সংগঠনিক দক্ষতা এবং পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্যের কারণে স্থানীয়দের কাছে তিনি একজন গ্রহণযোগ্য ও পরীক্ষিত নেতা হিসেবে পরিচিত। এলাকায় সামাজিক, ধর্মীয় ও শিক্ষামূলক কর্মকাণ্ডেও তার সক্রিয় অংশগ্রহণ রয়েছে বলে জানা যায়।
আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে শীলমান্দী ইউনিয়নের বহু এলাকাবাসী তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায়। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, সততা, অভিজ্ঞতা ও তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কের কারণে বোরহান উদ্দিন ইউনিয়নের উন্নয়ন ও সুশাসন নিশ্চিত করতে সক্ষম হবেন।
রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তরাধিকার নয়, বরং কাজ ও যোগ্যতার মাধ্যমেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান মোঃ বোরহান উদ্দিন। এখন দেখার বিষয়, আগামী নির্বাচনে জনগণের প্রত্যাশা কতটা বাস্তবায়িত হয়।
Leave a Reply