Headline
মনোহরদীতে খাল খননকাজ এখনো অসম্পূর্ণ, বরাদ্দ ফেরত নিয়ে প্রশ্ন! মনোহরদীতে যুবককে ‘মিথ্যা মামলায়’ চালানের অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি “৭ শতাংশ কমিশন না দিলে বিল নয়”—মনোহরদীর সাবেক ইউএনওর বিরুদ্ধে ঘুষ ও দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ! বেলাবতে ৩৫০ পিস ইয়াবা ও ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ একজন গ্রেপ্তার, পলাতক ৩ বেলাব সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রাকিব সরকার গ্রেপ্তার মনোহরদীতে আওয়ামী লীগ নেতার হাতে বিএনপি নেতার মৃত্যু!. পলাশে রোহিঙ্গাদের জন্ম নিবন্ধন করে নরসিংদীতে বহুতল ভবন নির্মাণ! পলাশে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা, স্বামী নুর আলমের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড! মনোহরদীতে সরকারি বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ভেঙে রাস্তা নেওয়ার পাঁয়তারা, ক্ষোভ এলাকাবাসীর! এ কেমন সাংবাদিকতা??!!
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন

মনোহরদীতে খাল খননকাজ এখনো অসম্পূর্ণ, বরাদ্দ ফেরত নিয়ে প্রশ্ন!

প্রতিনিধি:
প্রকাশকাল : শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক :
নরসিংদীর মনোহরদী পৌরসভার ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত সরকারি খাল খনন প্রকল্পের কাজ এখনো সম্পূর্ণ হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। এ অবস্থায় প্রকল্পের অব্যবহৃত বরাদ্দ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহলের মধ্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মনোহরদী গ্রামের সুইসগেটসংলগ্ন নদীর সংযোগস্থল থেকে সল্লাবাইদ গ্রামের দীঘির পাড় পর্যন্ত খালের কিছু অংশে এক্সকাভেটর দিয়ে খননকাজ করা হয়েছে। তবে খালের বিভিন্ন অংশে পাড় এখনো অপরিকল্পিত ও অসম্পূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। প্রকল্পের আওতায় নদী ও খালের তীরে বৃক্ষরোপণের কথা থাকলেও বাস্তবে হাতে গোনা কয়েকটি স্থানে সীমিত পরিসরে গাছ লাগানোর চিত্র দেখা গেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রকল্পের কাজ এখনো পূর্ণাঙ্গভাবে শেষ হয়নি।

সল্লাবাইদ গ্রামের প্রায় ৬০ বছর বয়সী এক বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “খালের মাটি আবার খালেই চলে গেছে। এতে আমাদের কী লাভ হলো?”

প্রকল্পটি নিয়ে আরও একটি গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, খননকাজে উত্তোলিত মাটির একটি অংশ স্থানীয় কয়েকজনের কাছে বিক্রি করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, এ দাবির সমর্থনে তাদের কাছে ভিডিওচিত্র সংরক্ষিত রয়েছে এবং প্রয়োজন হলে তদন্তকারী সংস্থার কাছে তা উপস্থাপন করা হবে।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পোস্টে দাবি করা হচ্ছে, খাল খনন প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই অব্যবহৃত বরাদ্দের অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের মতে, প্রকল্পের কাজ যদি বাস্তবেই অসম্পূর্ণ থেকে থাকে, তাহলে বরাদ্দ ফেরতের আগে প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি, কাজের গুণগত মান, উত্তোলিত মাটির ব্যবস্থাপনা এবং সরকারি অর্থ ফেরতের যৌক্তিকতা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে প্রকল্পটি নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী সম্পন্ন হয়েছে কি না, তাও যাচাই করার দাবি জানিয়েছেন তারা।। মনোহরদী উপজেলায় দুই বছর বিভিন্ন চেয়ারে বসে দায়িত্ব পালন করে শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন,নিজের সেই অপকর্ম ঢাকতে অর্থ ফেরতের নাটক মঞ্চস্থ করে গেছেন ইউএনও এমনটাই দাবি করেন স্থানীয় কিছু বাসিন্দারা।

এ বিষয়ে খাল খননকাজ অসম্পূর্ণ থাকা, উত্তোলিত মাটি বিক্রির অভিযোগ এবং সরকারি বরাদ্দ ফেরত দেওয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, এ প্রতিবেদনে উল্লিখিত তথ্য স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সরেজমিন পর্যবেক্ষণ এবং অভিযোগকারীদের উপস্থাপিত তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। অভিযোগগুলোর বিষয়ে এখনো কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি। তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল প্রত্যাশা করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category