
পলাশ প্রতিনিধি :
নরসিংদীর পলাশে চরসিন্দুর এলাকায় একাধিক ব্যক্তি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক বিএনপির প্রভাবশালী নেতার বিরুদ্ধে । অভিযুক্ত এই ব্যক্তির নাম আওলাদ হোসেন (জনি)। অভিযোগ উঠেছে চরসিন্দুরের সাখাওয়াত হোসেন কচির একটি ইটভাটা থেকে মাসিক ২০ হাজার টাকা, ঘুদারাঘাট এলাকায় তেল বিক্রেতা সবুজ ভূইয়ার বালুর গদী থেকে ১০ হাজার টাকা এবং সুলতানপুরের ভূইয়া বাড়ির শামিমের বালুর গদী থেকে আরও ১০ হাজার টাকা মাসোহারা আদায় করা হয়ে থাকে।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি মোবাইল ফোনে সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “যারা চাঁদাবাজি করে, তাদের কাছে যান। আমি এসবের সঙ্গে জড়িত নই।”
এদিকে পৃথক আরেক অভিযোগে জানা যায়, অভিযুক্ত ব্যক্তির ছেলে হোসাইন রিসালাত (শাওন) , যিনি স্থানীয়ভাবে ছাত্রলীগের একটি পদে রয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে, দেশবন্ধু ব্যভারেজ এর প্রশাসনিক ক্ষমতা ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে কাঁচামাল চুরির সঙ্গে জড়িত। পরে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের সহায়তায় তাকে মালামালসহ আটক করা হলেও পরবর্তীতে পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে ছাড়িয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ প্রসঙ্গে ছাত্রলীগ নেতার বাবা পলাশ উপজেলা বিএনপি নেতা আওলাদ হোসেন জনি বলেন, আওয়ামী লীগের নেতারা আমার আত্মীয় হয় ছবি তো থাকবেই। “এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।” অভিযোগ আছে তাদের ভয়ে কেউ প্রকাশ্যে কথা বলতে পারে না। আওয়ামী লীগ-বিএনপি দুইটাই তাদের কব্জায়। নিরপেক্ষ তদন্ত করে তাদের আইনের আওতায় আনার দাবি স্থানীয়দের।
Leave a Reply